ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) শেনজেন অঞ্চলে নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে Entry/Exit System (EES) নামে নতুন ডিজিটাল সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করছে। এর অংশ হিসেবে সুইডেন, ফিনল্যান্ড, স্পেন ও ক্রোয়েশিয়া এখন এই ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের সীমান্ত নিয়ন্ত্রণকে সমন্বয় করছে।
এর ফলে এসব দেশে বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর বা স্থলসীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সময় অনেক ভ্রমণকারীকে আগের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
EES কী?
EES (Entry/Exit System) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি ডিজিটাল ডাটাবেস, যেখানে শেনজেন অঞ্চলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় ইইউ-বহির্ভূত দেশের নাগরিকদের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে।
আগের মতো শুধু পাসপোর্টে সিল দেওয়ার পরিবর্তে এখন সংগ্রহ করা হবে:
আঙুলের ছাপ (Fingerprint)
মুখের বায়োমেট্রিক ছবি (Facial Image)
পাসপোর্টের তথ্য
এর মাধ্যমে ভ্রমণকারীর প্রবেশ ও প্রস্থানের তারিখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হবে এবং কেউ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে।
নতুন কী পরিবর্তন হলো?
সুইডেন, ফিনল্যান্ড, স্পেন ও ক্রোয়েশিয়া ধীরে ধীরে তাদের সীমান্তে EES কার্যকর করছে। ফলে এসব দেশে প্রবেশের সময় অনেক ভ্রমণকারীকে প্রথমবার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করতে হবে।
ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ
প্রথমবার শেনজেনে প্রবেশের সময় অতিরিক্ত কিছু সময় হাতে রাখুন।
বৈধ পাসপোর্ট সঙ্গে রাখুন।
সীমান্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।
কেন এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে?
ইইউর মতে, এই ব্যবস্থা:
সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়াবে।
ভিসার মেয়াদ অতিক্রমকারীদের দ্রুত শনাক্ত করবে।
জাল পরিচয়পত্র ও ভুয়া নথি ব্যবহার কমাতে সহায়তা করবে।
ভবিষ্যতে সীমান্ত পারাপার আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে।
যারা বাংলাদেশসহ ইইউ-বহির্ভূত দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে স্বল্পমেয়াদে (ভিজিট, পর্যটন বা ব্যবসায়িক কাজে) শেনজেন অঞ্চলে ভ্রমণ করেন, তাদের ওপর এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
তথ্যসূত্র: Gulf News-এর প্রতিবেদন এবং ইউরোপীয় কমিশনের EES সংক্রান্ত তথ্য। �
gulfnews.com +1