
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের অযোগ্যতার পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ঋণের জামিনদার হয়ে খেলাপি হওয়া ব্যক্তি, বিভিন্ন বিলখেলাপি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করার সুপারিশ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব ও ভূমিকা স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইনে আরও স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসব সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। আইন সংশোধনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
এদিকে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতিও এগিয়ে নিচ্ছে। কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সম্পন্ন হলে অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নতুন আচরণবিধির খসড়াও প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন, যেখানে নির্বাচনী শৃঙ্খলা, প্রচারণা ও আচরণবিধি আরও কঠোর করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত এসব পরিবর্তন বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের জবাবদিহি বাড়বে এবং নির্বাচন আরও সুশৃঙ্খল ও গ্রহণযোগ্য করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ECS)