বিশ্বনাথ উপজেলার ৭নং দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মাসুম আহমদ মারুফ।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর নাম আলোচিত হচ্ছে।
ইতিমধ্যে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় এবং তাঁদের খোঁজখবর নেওয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর এই তৎপরতাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আলোচনাও বাড়ছে।
মাসুম আহমদ মারুফ সাবেক সংসদ সদস্য নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলী কর্তৃক অনুমোদিত বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং দেওকলস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। এছাড়া তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সিলেট সরকারি কলেজের সাবেক ছাত্রদল নেতা।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে তাঁর। তিনি সৎপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও সাবেক শিক্ষানুরাগী সদস্য, দেওকলস ইউনিয়ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটির সভাপতি এবং ফতেহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বিশ্বনাথ উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সহকারী নির্বাচন কমিশনার ও সরকার অনুমোদিত সার্ভেয়ার।
রাজনৈতিক জীবনে দলের দুঃসময়ে মামলা, কারাবরণ, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান।
আসন্ন ৭নং দেওকলস ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুম আহমদ মারুফ। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তবে দলীয় মনোনয়ন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।
সব মিলিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাসুম আহমদ মারুফের রাজনৈতিক তৎপরতা, গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থানীয় নির্বাচনী আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন সবার নজর দলীয় মনোনয়ন এবং আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য সমীকরণের দিকে।