
সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে বিরোধ, এলাকায় সংঘাত ও হত্যার হুমকির অভিযোগে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেন মোস্তফা আহমদ, পিতা—মৃত মনাই মিয়া।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে এলাকায় বিরোধের জের ধরে বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা আহমদ বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করেন।
মামলায় অভিযুক্ত ১৫ জন হলেন—
১। রনী আহমদ (২৩), ছাত্রলীগ নেতা, পিতা—রাজীব আহমদ, সাং—পুরান লেন।
২। মিলাদ আহমদ, সিলেট যুবলীগ নেতা, পিতা—মানিক মিয়া, সাং—ওয়েস ২৭, আম্বরখানা।
৩। মোবারক (২৮), সিলেট জেলা ছাত্রলীগ সদস্য, পিতা—মতছির আলী, সাং—লামাবাজার।
৪। ফুয়াদ হাসান খা (২২), যুগ্ম সম্পাদক, ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদ ছাত্রলীগ, পিতা—চান খা, সাং—খাদিমনগর।
৫। আব্দুল মজিদ, সাং—ঐ।
৬। রাসেদ (২৪), পিতা—আং জলিল, সাং—তেলিহাওর।
৭। জুনেল (২৭), পিতা—মোশাহিদ আলী, সাং—উদ্দীপন-২৭, মির্জাজাঙ্গাল।
৮। মিজান (২৮), পিতা—আক্তার আলী, সাং—এ।
৯। জিয়াউর রহমান (৩৫), পিতা—মৃত ইসকন্দর আলী, সাং—এ।
১০। খালেদ আহমদ (২৯), পিতা—মৃত আনফর আলী, সাং—লামাবাজার পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন।
১১। আগাব উদ্দিন বাহার (৩৪), পিতা—আঃ ছত্তার, সাং—ঐক্যতান-১১, মির্জাজাঙ্গাল।
১২। মোঃ রুবেল মিয়া (৩০), যুগ্ম সম্পাদক, সিলেট মহানগর ছাত্রদল, পিতা—মোঃ তারিস মিয়া, সাং—বড়মোহা, পোঃ পাথারিয়া বাজার, থানা—জগন্নাথপুর, জেলা—সুনামগঞ্জ; বর্তমানে—৪৩ লেকসিটি আ/এ, নেহারীপাড়া, আখালিয়া, থানা—কোতোয়ালী, জেলা—সিলেট।
১৩। ফারুক আহমদ, পিতা—মৃত মমতাজ আলী, সাং—করপাড়া।
১৪। সৌরভ পাল, পিতা—মৃত জুয়েল পাল, সাং—তাতীপাড়া।
১৫। শানুর আহমদ, পিতা—জাহিদ হাসান, সাং—মিতালী ১২, থানা—কোতোয়ালী, জেলা—সিলেট।